অপ্রয়োজনীয় এবং অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যথানাশক ওষুধ বা এনএসএআইডি (NSAIDs) যেমন আইবুপ্রোফেন, নেপ্রোক্সেন বা ডাইক্লোফেনাক সেবন কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এই ওষুধগুলো কিডনির রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে দেয়, ফলে কিডনিতে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে যারা নিয়মিত পেইনকিলার খান, তাদের ক্ষেত্রে 'অ্যানালজেসিক নেফ্রোপ্যাথি' হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা কিডনি টিস্যুকে চিরস্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
বিশেষ করে যাদের বয়স বেশি, আগে থেকেই কিডনি রোগ আছে অথবা যারা পানিশূন্যতায় ভুগছেন, তাদের জন্য একটি ডোজও মারাত্মক হতে পারে। অনেক সময় সাধারণ মাথাব্যথা বা শরীর ব্যথার জন্য ফার্মেসি থেকে নিজে নিজে ওষুধ কিনে খাওয়ার অভ্যাস আমাদের সমাজে প্রচলিত, যা কিডনি বিকল হওয়ার অন্যতম বড় কারণ। প্যারাসিটামল সাধারণত কিডনির জন্য নিরাপদ ধরা হয় যদি তা সঠিক মাত্রায় নেওয়া হয়, কিন্তু যে কোনো ব্যথানাশক ওষুধ দীর্ঘ দিন ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কিডনি সুরক্ষিত রাখতে পেইনকিলারের বিকল্প হিসেবে ঘরোয়া চিকিৎসা বা ফিজিওথেরাপি চিন্তা করা বুদ্ধিমানের কাজ।