কিডনি রোগীদের ডায়েট সাধারণ মানুষের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এটি রোগের পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে। সিকেডি রোগীদের ক্ষেত্রে প্রধানত চারটি উপাদানের দিকে লক্ষ্য রাখতে হয়: প্রোটিন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ফসফরাস। কিডনি যখন দুর্বল হয়, তখন এটি প্রোটিনের বর্জ্য ফিল্টার করতে পারে না, তাই প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ সীমিত করতে হয়। তবে ডায়ালাইসিস রোগীদের আবার বেশি প্রোটিন প্রয়োজন হয়।
লবণ বা সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণ করা সবচেয়ে জরুরি কারণ এটি রক্তচাপ বাড়ায় এবং শরীরে পানি জমায়। পটাশিয়াম নিয়ন্ত্রণ করতে হয় কারণ রক্তে অতিরিক্ত পটাশিয়াম হৃদস্পন্দন বন্ধ করে দিতে পারে। তাই কলা, কমলা, ডাবের পানি এবং টমেটোর মতো উচ্চ পটাশিয়ামযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। ফসফরাস হাড়ের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে, কিন্তু কিডনি রোগীদের রক্তে ফসফরাস বেড়ে গেলে হাড় দুর্বল হয়ে যায়। তাই দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার এবং কোল্ড ড্রিংকস সীমিত করা প্রয়োজন। শাকসবজি কাটার পর তা পানিতে ভিজিয়ে রেখে কষ বের করে রান্না করা (Leaching) ভালো। একজন রেনাল ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীর ওজন ও ল্যাব রিপোর্টের ভিত্তিতে একটি চার্ট তৈরি করা সবচেয়ে নিরাপদ।